class="post-template-default single single-post postid-7856 single-format-standard" >

নান্দাইলে প্রতিবন্ধী দ্বিতীয় শ্রেনীর ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে বৃদ্ধাসহ ৪ জনের নামে থানায় মামলা।

এস এ রুহল আমিন: ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও বীর পাড়া গ্রামোর হত দরিদ্র আঃ হামিদের হালকা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশু কন্যা স্থানীয় একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেনীর ছাত্রী( ৭) কে একই গ্রামের মৃত মজলিশ খানের পুত্র হাজী আব্দুস সালাম (৭০)ওরফে দুদু খান সহ বখাটে নয়ন, ফয়সাল, জুনায়েদ,রা গত কিছু দিন ধরে সযোগ বুঝে যৌন নিপীড়ন করে আসছিল। এমত অবস্থায় গত শনিবার ( ১২ মে) সকালে শিশুটিকে দুদুখান তার নিজ বাড়ির বসত ঘরের ভিতরে নিয়ে ধর্ষণ করে। মেয়েটি বাড়িতে এসে কান্নাকাটি করে ঘটনার বিষয়ে জানায়। বাবা মা আশপাশের লোকদের কাছে ঘটনার বিষয়ে বিচার চাইলে দুদু খান প্রভাবশালী পরিবারের লোক হয়ায় এবিষয়ে কথা বলতে পারছিলনা। খবর শুনে স্থানীয় সাংবাদিকরা ঐ এলাকায় গিয়ে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারির জেনে পত্রিকায় ঘটনার বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করেন। সাংবাদিকদের সংবাদ প্রকাশের ভিত্তিতে গত সোমবার দুপুরে নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুল ইসলাম মিঞা সঙ্গীয় ফোর্স সহ ঘটনা স্থল গিয়ে শিশুটির জবানবন্ধী নিয়ে তার মা বাবা সহ শিশুটিকে থানায় নিয়ে আসেন। ঘটনার বিষয়ে থানায় ঐদিন মামলা নাহলে স্থানীয় সাংবাদিকদের তৎপরতায় ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে নান্দাইল মডেল থনায় ১৬ মে রাতে দুদু খান সহ চার জনের নামে মামলা হয়েছে। মামলা নং ১ ৫( ৫) ১৮ ইং।
নান্দাইলে উপজেলায় এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধি দ্বিতীয় শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন করার অভিযোগে ৭০ বছর বয়স্ক এক বৃদ্ধসহ তিন যুবকের নামে নান্দাইল থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার তিনদিনের মাথায় স্থানীয় সাংবাদিকদের তৎপরতায় জেলা পুিলশ সুপারের নির্দেশে এই মামলা রুজু করা হয়।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়,ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও বীর পাড়া গ্রামোর হত দরিদ্র আঃ হামিদের হালকা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশু কন্যা স্থানীয় একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেনীর ছাত্রী( ৭) কে একই গ্রামের মৃত মজলিশ খানের পুত্র হাজী আব্দুস সালাম
( ৭০) ওরফে দুদু খান সহ বখাটে নয়ন, ফয়সাল, জুনায়েদ,রা গত কিছু দিন ধরে সযোগ বুঝে যৌন নিপীড়ন করে আসছিল। এমত অবস্থায় গত শনিবার ( ১২ মে) সকালে শিশুটিকে দুদুখান তার নিজ বাড়ির বসত ঘরের ভিতরে নিয়ে ধর্ষণ করে। মেয়েটি বাড়িতে এসে কান্নাকাটি করে ঘটনার বিবরণ প্রকাশ করে তার বাবা মাকে। বাবা মা আশপাশের লোকদের কাছে ঘটনার বিষয়ে বিচার চাইলে দুদু খান প্রভাবশালী পরিবারের লোক হওয়ায় এবিষয়ে কিছু করে উঠতে পারছিলনা। খবর শুনে স্থানীয় সাংবাদিকরা ঐ এলাকায় গিয়ে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারির জেনে পত্রিকায় এবিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে। সাংবাদিকদের সংবাদ প্রকাশের ভিত্তিতে গত সোমবার দুপুরে নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুল ইসলাম মিঞা সঙ্গীয় ফোর্স সহ ঘটনা স্থল গিয়ে শিশুটির জবানবন্ধী গ্রহন করে তার মা বাবা সহ শিশুটিকে থানায় নিয়ে আসেন। ঘটনার বিষয়ে থানায় ঐদিন মামলা নাহলে স্থানীয় সাংবাদিকদের তৎপরতায় ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে নান্দাইল মডেল থানায় ১৬ মে রাতে দুদু খান সহ চার জনের নামে মামলা হয়েছে। মামলা নং ১ ৫( ৫) ১৮ ইং।

Facebook Comments





Related News