class="post-template-default single single-post postid-1938 single-format-standard" >

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের শূন্যপদের তালিকা এবং ৮-১২ তমদের মেধাতালিকা হাইকোর্টে

দেশের সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ২২ হাজার ৫৬৭টি শূন্যপদের তালিকা রয়েছে বলে NTRCA হাইকোর্টে স্বীকার করেছে। তবে তারা দাখিল করেছে প্রায় ১০,০০০ শূন্য পদের তালিকা। একইসঙ্গে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৮ম থেকে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সনদধারীদের মেধাতালিকাও আদালতে দাখিল করা হয়েছে। রবিবার (৩০ জুলাই) বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক অ্যাফিডেভিট আকারে ৩০০০ পৃষ্ঠা সংক্রান্ত এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের সহকারি পরিচালক মো. লোকমান হোসেন স্বাক্ষরিত এই প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন NTRCA এর প্যানেল আইনজীবী ব্যারিস্টার কাজী মাইনুল হাসান। রিটের বাদী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. হুমায়ুন কবির বাদশা। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে এ ২য় শুনানি উপস্থাপিত হয়।

তবে আইনজীবী কাজী মাইনুল হাসান অসুস্থ্য থাকার দরুন

পরবর্তী আদেশের জন্য আগামীকাল ৩১/০৭/১৭ইং রোজ সোমবার দিন ধার্য করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেলা শিক্ষা অফিসারদের মাধ্যমে সংগৃহীত দেশের সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পদ ও বিষয়ভিত্তিক ২২ হাজার ৫৬৭টি পদের একটি তালিকা আদালতের বিবেচনার জন্য পেশ করা হলো।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধিত নিয়োগবঞ্চিত জাতীয় ঐক্য পরিষদের সভাপতি জনাব জাহাঙ্গীর আলম বলেন — প্রায় প্রতিদিন, প্রতিমাসে অবসর, মৃত্যু, চাকরি ত্যাগ ইত্যাদি নানাবিধ কারণে শূন্যপদের সংখ্যা পরিবর্তিত হয়। সে হিসেবে তিনি বলেন, শিক্ষকদের শূন্যপদের সংখ্যা রয়েছে প্রায় ১ লক্ষ। আর আমরা নিয়োগ প্রত্যাশী রয়েছি প্রায় ৮০ হাজার। তাই সরকারের সদিচ্ছাই পারে আমাদের নিয়োগ প্রদান করতে।

NTRCA এর প্রতিবেদনে উত্তীর্ণ সনদধারীদের মেধাতালিকা সম্পর্কে বলা হয়েছে, ১ম থেকে ৭ম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের উপজেলা ও জেলা ভিত্তিক তথ্য এনটিআরসিএ-এর দফতরে সংরক্ষিত না থাকায় ওই ৭টি নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মেধা তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এরপরও আদালত প্রয়োজন মনে করলে, ১ম থেকে ৭ম নিবন্ধন এবং বিশেষ নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীর জেলা, উপজেলার তথ্য নতুন করে সংগ্রহ করে একটি মেধা তালিকা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ৮ম থেকে ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের উপজেলা, জেলা ও জাতীয় ভিত্তিক মেধাক্রম অনুযায়ী বিষয় ভিত্তিক মেধা তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৮ মে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১ম থেকে ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সনদধারীদের মেধাতালিকা প্রস্তুত ও প্রকাশের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এই সময়ের মধ্যে সমগ্র বাংলাদেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের শূন্যপদের তালিকাও চাওয়া হয়। এছাড়া আদালত নিবন্ধন সনদের মেয়াদ ৩ বছর নির্ধারণ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না ও নিবন্ধন সনদধারীদের কেন নিয়োগ দেওয়া হবে না, এই মর্মে রুলও জারি করেন।

বিভিন্ন জেলার ১৪৯ জন নিবন্ধন সনদধারী উক্ত বিষয়গুলো বিশেষ করে সনদের মেয়াদ আজীবনের বৈধতা ও নিয়োগের চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।

এ বিষয়ে ঐক্য পরিষদের সভাপতি জনাব জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অবিলম্বে ১-১২ তম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধিত নিয়োগবঞ্চিতদেরকে বাংলাদেশের যেকোনো এমপিওভূক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্যানেলভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা এখন সকলের গণদাবী।

নতুবা দূ্র্বার গণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে।

Facebook Comments





Related News