class="post-template-default single single-post postid-1581 single-format-standard" >

আবেদন ফি এর নামে প্রায় ২৪.৭৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এনটিআরসিএ-বাছাই প্রক্রিয়াতে ভয়াবহ অসচ্ছতা

 

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ ১-১২ তম শিক্ষক নিবন্ধিত নিয়োগবঞ্চিতদের নিকট থেকে আবেদন ফি এর নামে প্রায় ২৪.৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে।

যেখানে একটি আবেদন নিলেই যথেষ্ট ছিল, সেখানে একজন যত খুশি তত প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবে বলে প্রলোভন দেখিয়ে একাধিক আবেদন গ্রহন করেছেন এবং অবৈধ্য পন্থায় টাকা সংগ্রহ করেছেন।

আরও জানা গেছে ওভার টাইমের নামে এনটিআরসিএ এর কর্মকর্তা-কর্মচারী দৈনিক ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা মানে মাসে ১০/১২ হাজার টাকা খরচ করছেন।

গত ০৯/১০/১৬ ইং তারিখে এনটিআরসিএ ১২৬১৯ টি পদের বিপরীতে ফলাফল প্রকাশ করেছে। বাছাই প্রক্রিয়াতে নজিরবিহীন অনিয়ম। নাটোরের লালপুরের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে প্রভাষক নিয়োগ দিয়েছেন। এরকম রয়েছে হাজারো অনিয়ম। পরিপত্রের দোহায় দিয়ে উপজেলা কোঠার নামে মেধাবীদের কবর দেওয়া হয়েছে।

নিবন্ধনকারীদের অনেকেই মনে করেন যে, এনটিআরসিএ স্কুল কমিটির প্রধানদের সাথে যোগসাজশ করে ব্যাপক অনিয়মের মাধ্যমে বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন, যার বড় প্রমান যে, ১)কোনো মেধাক্রম প্রকাশ করা হয়নি।

২) প্রায় পূর্বের হিসেব অনুযায়ী 60 হাজার পদ থাকা সর্ত্বেও তার সম্পূর্ন রিকুজিশন না নিয়েই মাত্র ১২৬১৯ টি পদের বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।

৩) তবে বর্তমানে শূন্য পদের সংখ্যা রয়েছে লক্ষাধিক।

৪)বাছাই প্রক্রিয়া শেষে প্রতিটি পদের বিপরীতে নূন্যতম ৩/৫ জনের মেধাক্রম প্রকাশ না করা।

৫) একজনকে ২ থেকে ৭০ টি প্রতিষ্ঠানের জন্য সিলেক্ট করা।

৬) ১২৬১৯ টি পদে ঘুরেফিরে ২৩৯৩ জনকে সিলেক্ট করা এবং বাকী ১০২২৬ জনের তালিকা অপেক্ষমান তালিকা প্রকাশ না করা।

৭) সর্বোপরি মহিলা কোঠার নামে জালিয়াতি করা। এমনকি পুরুষ কোঠায় মহিলা নিয়োগ দেওয়া।

সুশিল সমাজের অনেকেই মনে করেন যেখানে একটি আবেদন এর মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যেত সেখানে একজনের কাছ থেকে ৫০/৬০ টি আবেদন সংগ্রহ করে ২৪.৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ দিনের আলোতে এনটিআরসি এর ডিজিটাল কায়দায় দুর্নীতি ছাড়া আর কিছুই না। তাই সর্বশেষে আদালতের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চলছে আন্দোলন। তবে যথেষ্ট ইতিবাচক ফলাফল আসছে রিটের রায়ে। তাই ১-১২ তম শিক্ষক নিবন্ধিত নিয়োগবঞ্চিতদের নিয়োগ পেতে হাইকোর্টের স্বরণাপর্ণ রিটের কোনো বিকল্প দেখছি না।

আমি মনে করছি, প্রত্যেক বৈধ সনদধারী অচিরেই মহান আল্লাহর কৃপায় হাইকোর্টের রায়ে নিয়োগ পাবে। তবে এজন্য প্রায় ১০-১২ বার চেয়ারম্যান আজাহারকে এবং ২ শিক্ষাসচিবকে বিভিন্ন নং কোর্টে তলব করা হতে পারে বলে মনে হচ্ছে।

ধন্যবাদান্তে–

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম(সভাপতি)

বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধিত নিয়োগবঞ্চিত জাতীয় ঐক্য পরিষদ।

০১৭৪৬২৬৪০১৭

০১৭১০৭৯৭৮৯৫

Facebook Comments





Related News